ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের সহিংসতার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শাহাদাত
বুধবার (২২ মে) রাতে ছাত্রনেতা শোভনের ফেসবুকে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলো ধরা হলো-
”আজ থেকে ঠিক দুই মাস আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি ছিল সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থান।
রাতে-দিনে যে স্থানে ছিল হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা। মুখরিত ছিল প্রতিটি মুহুর্ত। ঠিক দুই মাস পরে দেখাচ্ছে শত বছরের পুরনো জরাজীর্ণ এক নগরী। ধ্বংসবিধ্বস্ত এক নগরী।
যা গত ২৬ মার্চে হেফাজতে-জামাত ইসলাম এর তাণ্ডবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
শুধু ঐতিহ্যবাহী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার না পুরো বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন বিনষ্টকারী, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংসযজ্ঞে পরিনতকারীদের অন্যতম মূল খলনায়ক ও নেতৃত্ব দানকারী সাজেদুর রহমান ও মোবারক উল্লাহ’র গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন পুনঃনির্মাণ/পুনঃসংস্কারের দাবিতে, সরকার ঘোষিত লকডাউন শেষে আগামী ১/৬/২০২১ তারিখে সকাল ১১ ঘটিকায় আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বস্তরের জনগণকে পাশে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আহ্বান জানাচ্ছি।
এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া আমাদের, এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সকল শান্তিপ্রিয় মানুষের। হেফাজতি জামাতি তাণ্ডবীদের না, এটি জানান দেওয়ার সময় এসেছে।
সময় এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসীর এটি জানান দেওয়ার যে, আমরা কি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ধ্বংসের পক্ষে নাকি বিপক্ষে?
আমরা কি শান্তির পক্ষে নাকি হেফাজতি তাণ্ডবকারীদের, উগ্রতার পক্ষে?
তবে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তান্ডবিদের প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে যোগ দেই।
কেউ থাকুক বা না থাকুক আমি থাকবো।
আল্লাহ সর্বশক্তিমান,
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।”
Leave a Reply